নোয়াখালীর বার্তা ডটকমঃ নোয়াখালীতে যৌতুকের দাবিতে আট বছরের শিশু সন্তানকে বেঁধে রেখে নিলুফার ইয়াছমিন কলি নামে এক গৃহবধূর চুল কেটে গরম খুন্তি দিয়ে শরীরে ছ্যাঁকা দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে পাষণ্ড এক স্বামীর বিরুদ্ধে। পরে বিদেশ যাওয়ার সময় মোশাররফ হোসেন উজ্জল নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে আড়াইটায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানান নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ঢাকার হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ উজ্জলকে গ্রেপ্তার করে সুধারাম মডেল থানায় হস্তান্তর করে। গ্রেপ্তার উজ্জল জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে।

নির্যাতিতা নারীর পরিবার সূত্র জানায়, ২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর কবিরহাট উপজেলার সোন্দলপুর ইউনিয়নের বড় রামদেবপুর গ্রামের ইউসুফ আলীর মেয়ে নিলুফার ইয়াসমিন কলির সাথে পারিবারিকভাবে মোশাররফ হোসেন উজ্জলের বিয়ে হয়। তাদের ৫ বছরের একটি ছেলে সন্তান আছে। বিয়ের পর থেকে যৌতুক দাবি করে আসছিল উজ্জল। টাকা না আনায় কলির ওপর শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল উজ্জল। পরে একাধিকবার বিদেশ যাওয়ার জন্য বাবার বাড়ি থেকে কলি টাকা এনে দেয় উজ্জলকে। পরে সে ওই টাকা দিয়ে সৌদিতে যায়।

নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, দুই মাস আগে উজ্জল দেশে এসে জেলা শহর মাইজদী বছিরার দোকান এলাকায় তাদের ভাড়া বাসায় উঠে। দেশে আসার পর আবারও যৌতুকের জন্য কলির ওপর নির্যাতন শুরু করে উজ্জল।

সর্বশেষ গত বুধবার রাতে উজ্জল আবারও কলিকে মারধর শুরু করে। এর একপর্যায়ে শিশু সন্তানকে বেঁধে রেখে কলির মাথার চুল কেটে দিয়ে গরম খুন্তি দিয়ে সারা শরীর ছ্যাঁকা দেয়। পরে গোপনে ছেলেকে নিয়ে মাইজদীর বাসা থেকে পালিয়ে বাবার বাড়ি সোন্দলপুর চলে আসে কল